


লখনউ: ‘বন্দে মাতরম’-এর অপমান করেছে কংগ্রেস—গত কয়েকদিন ধরেই এই অভিযোগে সরব বিজেপি। এদিকে জাতীয় সংগীত চলাকালীন হেঁটে গাড়িতে উঠে গিয়ে বিতর্কে জড়ালেন উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার স্পিকার তথা বিজেপি বিধায়ক সতীশ মহানা। শনিবার উন্নাওয়ে কলেজ অধ্যক্ষদের একটি অনুষ্ঠানে এসেছিলেন মহানা। সেখানে রীতি মেনে পুলিশের তরফে তাঁকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। একটি ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, পুলিশের স্যালুট নেওয়ার পর জাতীয় সংগীত গাওয়া শুরু হয়। কিন্তু স্পিকার অপেক্ষা না করেই পিছনে ফিরে গাড়িতে ওঠার জন্য হাঁটা দেন। তাঁকে ঘিরে একাধিক বিজেপি সমর্থকও হাঁটতে শুরু করেন। অনেকে মহানার পা ছুঁয়ে প্রণামও করেন। তিনি যখন গাড়িতে চেপে চলে যাচ্ছেন, তখনও জাতীয় সঙ্গীত বাজছে। যদিও মহানার দাবি, তাঁকে যখন গার্ড অব অনার দেওয়া হচ্ছিল তখন জাতীয় সংগীত শুরু হয়নি। তাঁর বক্তব্য, ‘স্পিকার পদের সুবাদে তাঁর গার্ড অব অনার প্রাপ্য কিন্তু আইনে কোথাও জাতীয় সংগীত গাওয়ার কথা নেই।’ তাঁর পালটা প্রশ্ন, কোনো অনুষ্ঠানে ‘জনগণমন’ গাওয়ার সময় কেউ পাশ দিয়ে গেলে কি সে দাঁড়িয়ে পড়ে?
তবে স্পিকার যতই বিষয়টিকে লঘু করে দেখানোর চেষ্টা করুন, বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে বিরোধী দলগুলি। কংগ্রেস নেত্রী সুপ্রিয়া শ্রীনেত বিজেপিকে আক্রমণ করে এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘আপনারা ব্রিটিশদের চর ছিলেন, পরে বন্দে মাতরম নিয়ে মিথ্যা প্রচার করছেন। প্রথমে এই ঘটনার ব্যাখ্যা দিন। কেন আপনাদের শীর্ষ নেতা ও বিধানসভার স্পিকার জাতীয় সংগীতের মাঝে হেঁটে চলে গেলেন? তিনি কি ৫২ সেকেন্ড অপেক্ষা করতে পারতেন না? এই ঘটনাকে জাতীয় সংগীতের অপমান অ্যাখ্যা দিয়ে মহানাকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি জানান সুপ্রিয়া। সমাজবাদী পার্টির মুখপাত্র অনুরাগ ভাদৌরিয়া বলেন, ‘বিজেপি তো সকলকে জাতীয়তাবাদের সার্টিফিকেট দেয়। এই ঘটনায় তারা কী বলবে?