


সংবাদদাতা, বারুইপুর: জয়নগরের মোমরেজগড় প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র নিয়ে একাধিক অভিযোগ তুলেছেন গ্রামবাসীরা। তাঁদের বক্তব্য, নিয়মিত আসেন না চিকিৎসক। ফলে চিকিৎসা পেতে ২২ কিলোমিটার দূরে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে ছুটতে হয়। পাশাপাশি, হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্সদের যে কোয়ার্টার্স রয়েছে, তার ব্যবহার হয় না। ভাঙা ও অসম্পূর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। ফলে এই কোয়ার্টার্স চত্বর সন্ধ্যার পরে মদ ও গাঁজার ঠেকে পরিণত হয়। বারংবার পুলিশকে জানানো হলেও কাজ হয়নি। এই প্রসঙ্গে জয়নগর ১ নম্বর ব্লকের স্বাস্থ্য আধিকারিক রূপঙ্কর বসু বলেন, চিকিৎসকের অভাব তো আছেই। একজন চিকিৎসককেই পদ্মেরহাট গ্রামীণ হাসপাতাল ও এই স্বাস্থ্যকেন্দ্র সামলাতে হয়।
জয়নগর ১ নম্বর ব্লকের অধীন এই মোমরেজগড় প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র। সুসজ্জিত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়মিত চিকিৎসকরাই আসেন না বলে অভিযোগ এলাকার বাসিন্দাদের। গ্রামবাসীরা বলেন, সপ্তাহে মাত্র দু’দিন চিকিৎসক আসেন। তাও দুপুর ১টার পরে পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়। এরপরে মানুষ কোথায় যাবে? এখানে সপ্তাহে অন্তত পাঁচদিন চিকিৎসকের আসা দরকার। ফার্মাসিস্ট যিনি আছেন, তিনিই সুগার, প্রেশার পরীক্ষা করেন। কিন্তু ছোটখাট কোনো রোগ নিয়ে গেলেই বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে নিয়ে যেতেই রোগীর দফারফা হয়ে যায়।
গ্রামবাসীদের আরও অভিযোগ, কোয়ার্টার্স চত্বর সংলগ্ন এলাকায় কোনো পাঁচিল নেই। যে যাঁর মত সন্ধ্যার পরে ঢুকে মদ্যপান ও গাঁজার ঠেক চালান। অবিলম্বে পুলিশকে এই ব্যাপারে কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে। নিজস্ব চিত্র