


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) মামলায় নিয়োগ দুর্নীতিতে চাকরি গিয়েছে ২৬ হাজার শিক্ষকের। যদিও ‘যোগ্য’ শিক্ষকরা এখনও স্কুলে বহাল। তবে সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশ মতো আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্তই সেই চাকরির মেয়াদ। তারপর কী হবে তাঁদের ভবিষ্যৎ? সাম্প্রতিককালে এই মামলার শুনানি না হওয়ায় মঙ্গলবার সর্বোচ্চ আদালতে এই উদ্বেগ প্রকাশ করলেন যোগ্য শিক্ষকদের আইনজীবী। দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চের সামনে বিষয়টি ‘উল্লেখ’ (মেনশন) করা হয়। যদিও বিচারপতিরা জানিয়ে দেন, ৩১ আগস্ট পর্যন্ত যোগ্যরা চাকরি করতে পারবেন বলে অন্তর্বর্তী নির্দেশ রয়েছে। কোনো কারণে সেদিনের মধ্যে শুনানি না হলে আগের নির্দেশই বজায় থাকে। এটাই বিধি। এসএসসির আইনজীবীও জানিয়ে দেন, আগামী ৩১ আগস্ট শুনানি হবে। ফলে এটি নিয়ে বিভ্রান্তির কোনো কারণ নেই।
২০২৫ সালের ৩ এপ্রিল কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল রেখে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছিল, ২০১৬ সালের এসএসসির নিয়োগ প্রক্রিয়া কলুষিত। তাই তা সম্পূর্ণ বাতিল করা হল। একলহমায় চাকরি হারিয়েছিল প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মী। তবে শীর্ষ আদালত রায়ে জানিয়েছিল, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে। এবং ততদিন পর্যন্ত ‘যোগ্য’ শিক্ষকদের চাকরি বহাল থাকবে। পরবর্তীকালে এসএসসিরর আবেদনের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, ৩১ ডিসেম্বর নয়, এই মামলায় যোগ্য শিক্ষকরা ২০২৬ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত পুরনো চাকরিতেই বহাল থাকবেন। পাবেন বেতনও। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার মুখে। তাই এদিন ‘যোগ্য’ শিক্ষকদের পক্ষে থেকে বিষয়টি উল্লেখ করা
হয়। শীর্ষ আদালত জানিয়ে
দেয়, মামলাটির পরবর্তী শুনানি না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তী নির্দেশ বলবৎ থাকবে।