


ভোপাল: এমবিএ পড়ুয়াদের জন্য সরকারি স্কলারশিপ। সেইমতো ২০২০ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০২১ সালের অক্টোবরের মধ্যে ৯৯ লক্ষ ৪৮ হাজার অর্থাৎ প্রায় এক কোটি টাকা স্কলারশিপ দেওয়াও হয়। কিন্তু সবই খাতায় কলমে! অর্থ পৌঁছয়নি পড়ুয়াদের হাতে। এমনকী স্কলারশিপের টাকা প্রসঙ্গে কিছুই জানা নেই তাঁদের। তদন্তে নেমে মধ্যপ্রদেশের ভোপালের এক ম্যানেজমেন্ট কলেজের বড়োসড়ো দুর্নীতির পর্দা ফাঁস করল সিবিআই। জানা গিয়েছে, পড়ুয়াদের অজান্তেই তাঁদের নামে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ সরানো হয়েছে। ইতিমধ্যে দুর্নীতিতে জড়িত ওই ব্যাংকের হবিবগঞ্জ শাখার সিনিয়র ম্যানেজার ও কলেজের সঙ্গে যুক্ত পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। স্কলারশিপের টাকা কাদের পকেটে ঢুকেছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। সম্প্রতি এক সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন সূত্রে এই খবর সামনে এসেছে।
২০০৯ সালে ভোপালের আওয়াধপুরীতে প্রতিষ্ঠিত হয় অ্যাকাডেমি অব ম্যানেজমেন্ট কলেজ। লালা রাম রাখা মাল ট্রাস্ট দ্বারা পরিচালিত এই কলেজে দু’বছরের এমবিএ কোর্স রয়েছে। সম্প্রতি দুর্নীতির খবর সামনে আসে। ভোপালের ওই ব্যাংকের জোনাল হেড তথা ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার লোকেশ কুমার একটি অভিযোগ দায়ের করেন। জানা যায়, হবিবগঞ্জ শাখায় ১১৮টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সময় ও টাকা লেনদেনে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। তদন্তে নেমে সিবিআই জানতে পারে,সংশ্লিষ্ট কলেজের এমবিএ পড়ুয়াদের নামেই খোলা হয়েছে অ্যাকাউন্টগুলি। কিন্তু এবিষয়ে কিছুই জানেনই না পড়ুয়ারা। তাঁদের নথি জাল করে টাকা নয়ছয় করা হয়েছে। কলেজ থেকে কীভাবে পড়ুয়াদের নথি পাচার করা হয়েছে? ব্যাংকের কারা এই কাজে জড়িত ছিল? আর কোন কোন অ্যাকাউন্টে টাকা গিয়েছে? সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।